মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

ক) প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ(সকল)ঃ  উপ-পরিচালক ,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বরাবরে প্রাপ্ত দরখাস্ত গুলো উপজেলার মাধ্যমে বাছাই পূর্বক জেলাতে প্রেরণ করে /জেলা থেকে সরাসরি মৌখিক বা লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশিক্ষণাথী বাছাই করা হয়।

খ) অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ(সকল)ঃ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বরাবরে শিক্ষিত বেকার যুবদের কাছ থেকে প্রাপ্ত দরখাস্ত গুলো বাছাই কমিটির মাধ্যমে বাছাই করে প্রশিক্ষণাথী নির্বাচন করা হয়।

গ) আত্নকর্মী তৈরীঃ প্রশিক্ষণলব্ধ  ঞ্জান বাস্তবে কাজে লাগানোর নিমিত্তে ক্রেডিট সুপারভাইজার /উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত যুবদেরকে উদ্বুদ্ধ করে আত্নকর্মী তৈরী করেন।

ঘ) যুব ঋণ প্রদানঃ ঋণের জন্য দরখাস্ত দাখিলকারীদের (ৃশুধু মাত্র প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত যুব)মধ্য থেকে প্রথমে ক্রেডিট সুপারভাইজার এর মাধ্যমে প্রকল্প গ্রহণকারী যুবদের বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে  তাঁর সুপারিশক্রমে অথবা  প্রয়োজনে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাও সরেজমিনে পরিদর্শন করে বাছাইকৃত আবেদনকারীর ঋণের প্রস্তাব উপজেলা/জেলা কমিটিতে প্রেরণ করে তা অনুমোদন নেয়া হয়।

ঙ) সংগঠণ ভিত্তিক সেবাঃ।) যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট নির্ধারিত ফরমে আবেদনের ভিত্তিতে যুব সংগঠণগুলোকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের তালিকাভূক্তি দেয়া হয়।

।।) নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে সংগঠণ থেকে প্রাপ্ত

আবেদনের ভিত্তিতে  যুব কল্যাণ তহবিল হতে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করা হয়।

চ) জাতীয় যুব পুরস্কারঃ সফল আত্নকর্মীদের মধ্য থেকে কোন বিশেষ বিষয়ে সর্বোচ্চ অবদানকারী /উপার্জনকারীকে অন্যান্য আত্নকর্মীদের অনুকরণের নিমিত্তে রাষ্ট্রপ্রধানের মাধ্যমে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান করা হয়।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর যে সব সেবা যেভাবে প্রদান করে তার বিস্তারিত বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হলোঃ

১।প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সেবা সমূহ

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাধারণত ২ ধরণের প্রশিক্ষন সেবা দিয়ে থাকে।
ক) প্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে প্রশিক্ষন।
খ) অপ্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে প্রশিক্ষন।

 প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ট্রেড সমুহঃ

ট্রেডের নামঃ
১।গবাদিপশু,হাঁস-মুরগী পালন উহাদের প্রাথমিক চিিকৎসা, মৎসচাষ ও কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স।
মেয়াদঃ ২মাস ১৫দিন।
প্রশিক্ষণ শুরুর সময়ঃ জুলাই, অক্টোবর, জানুয়ারী ও এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখ।
আসন সংখ্যা-৬০ জন( আবাসিক)।
শিক্ষাগত যোগ্যতা– ৮ম শ্রেণী পাস।
কোর্স ফি-১০০টাকা।
প্রতি মাসে প্রশিক্ষণার্থীদের ১২০০ টাকা ভাতা প্রদান করা হয়।

২।মডার্ণ অফিস ম্যানেজমেন্ট এন্ড কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশনঃ

§                     মেয়াদ-৬মাস।

§                     প্রশিক্ষণ শুরুর সময়- জানুয়ারী ও জুলাই মাসের ১তারিখ।

§                     আসন সংখ্যা-৩০জন।( অনাবাসিক)।

§                     শিক্ষাগত যোগ্যতা-এইচএসসি পাশ।

§                     কোর্স ফি– ৫০০টাকা।

। পোষাক তৈরী (মহিলাদের জন্য।

§                     মেয়াদ– ৬/৩ মাস

§                     প্রশিক্ষণ শুরুর সময়- জুলাই, অক্টোবর ও জানুয়ারী মাসের ১তারিখ।

§                     আসন সংখ্যা- ৪০ জন।( অনাবাসিক)।

§                     শিক্ষাগত যোগ্যতা– ৮ম শ্রেণী পাস।

§                     কোর্স ফি– ৫০টাকা।

৪।মৎস চাষ।

§                     মেয়াদ-১মাস।

§                     প্রশিক্ষণ শুরুর সময়– প্রতি মাসের ১ তারিখ।

§                     আসন সংখ্যা– ২০ জন।

§                     শিক্ষাগত যোগ্যতা– ৮ম শ্রেণী পাস।

§                     কোর্স ফি– ৫০ টাকা।

৫। েবসিক কম্পিউটার।

§                     মেয়াদ-৬মাস।

§                     প্রশিক্ষণ শুরুর সময়– জানুয়ারী ও জুলাই  মাসের ১ তারিখ।

§                     আসন সংখ্যা– ৪০ জন।

§                     শিক্ষাগত যোগ্যতা– এইচএসসি পাস।

§                     কোর্স ফি– ১০০০টাকা।

৬। রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং।

§                     মেয়াদ-৬মাস।

§                     প্রশিক্ষণ শুরুর সময়– প্রতি জানুয়ারী– জুলাই  মাসের ১তারিখ।

§                     আসন সংখ্যা– ৩০জন।

§                     শিক্ষাগত যোগ্যতা– ৮ম শ্রেণী পাস।

§                     কোর্স ফি– ৩০০টাকা।

৭।ইলেক্ট্রনিক্স ।

§                     মেয়াদ-৬মাস।

§                     প্রশিক্ষণ শুরুর সময়– প্রতি জানুয়ারী– জুলাই  মাসের ১তারিখ।

§                     আসন সংখ্যা– ৩০জন।

§                     শিক্ষাগত যোগ্যতা– ৮ম শ্রেণী পাস।

§                     কোর্স ফি– ৩০০টাকা।

৮।ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড হাউস ওয়ারিং।

§                     মেয়াদ-৬মাস।

§                     প্রশিক্ষণ শুরুর সময়– প্রতি জানুয়ারী– জুলাই  মাসের ১তারিখ।

§                     আসন সংখ্যা– ৩০জন।

§                     শিক্ষাগত যোগ্যতা– ৮ম শ্রেণী পাস।

§                     কোর্সফি– ৩০০ টাকা।

প্রশিক্ষণ সমুহ  গ্রহণে আগ্রহী ময়মনসিংহ জেলার বেকার যুব/যুব মহিলাগন  যোগাযোগ করবেন।

উপ-পরিচালক
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর
ময়মনসিংহ

টেলিফোন;০৯১৬৬৭৬৩

অথবা

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, ময়মনসিংহ জেলার সকল উপজেলা।

   অপ্রাতিষ্ঠানিক ( ভ্রাম্যমান) ট্রেড সমূহঃ

সাধারণত উপজেলা পর্যায়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক বা ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা যুব সংগঠন/ক্লাবে এ প্রশিক্ষণের ভেন্যু হেসেবে ব্যাবহার করা হয়। যেহেতু প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয় সেহেতু বেকার যুবদের এ প্রশিক্ষণ গ্রহন খরচ ও সময় কম হয়। অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ গ্রহনে বেকার যুবদের কোন প্রকার প্রশিক্ষণ ফি প্রদান করতে হয় না।

যে সমস্ত ট্রেডে অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয় তা নিম্নরূপঃ

§                     পারিবারিক হাঁস মুরগি পালন

§                     গরুমোটা-তাজা করন।

§                     গাভি পালন।

§                     বসত বাড়ীতে সব্জী চাষ।

§                     নার্সারি বনায়ন।

§                     ছাগল পালন।

§                     মৎস্য্য চাষ।

§                     পোষাক তৈরি।

§                     এবং স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে েট্রড নির্ধারন করে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

§                     যোগাযোগের ঠিকানাঃ

§                     উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, সংশ্লিষ্ট উপজেলা, ময়মনসিংহ।

                                           ঋন কর্মসূচি

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাধারণত দুই  ধরণের ঋণ দিয়ে থাকে।

১) যুব ঋণ (একক)।
২) গ্রুপ ভিত্তিক ঋণ (০৫ জনের গ্রুপে)।

ব্যক্তি ঋন/যুবঋনঃ- শুধু যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষন গ্রহনের পর লাভ জনক প্রকল্প গ্রহণ কারীকে এ ঋণ প্রদান করা হয়। ব্যক্তি শ্রেণী ঋন আবার দুই প্রকার।
১) প্রাতিষ্ঠানিকঃ প্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীর অনুকূলে যে ঋণ প্রদান করা হয় এবং যার পরিমান  সর্বোচ্চ ৭৫০০০ হাজার টাকা।

২) অপ্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে প্রশিক্ষন গ্রহণ কারি যুবদের প্রকল্পের কলেবর বৃদ্ধির জন্য সর্বোচ্চ ২৫০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত এ শ্রেণীর আওতায় ঋণ প্রদান করা হয়।

সফল ভাবে ঋন পরিশোধকারীকে ৩বার ঋন প্রদান করা হয়। ঋণের সার্ভিস চার্জের পরিমাণ১০% যা ক্রমহ্রাসমান হারে ৫% এ নির্ধারিত হয়।

§                     যোগাযোগের ঠিকানা :  উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, সংশ্লিষ্ট উপজেলা|

 

গ্রুপঋন

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রুপ গঠন করে এ প্রকারের ঋন দেয়া হয়। এ ঋণ পরিবার ভিত্তিক  প্রদান করা হয়।পারিবারিক ঐতিহ্য রক্ষা  ও মুল্যবোধ  সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে পারিবারিক সম্প্রিতি, শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলার মাধ্যমে পরিবারকে উন্নয়নের একক হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে  আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিই এ প্রকার ঋণ কর্মসূচির মুল লক্ষ্য।
কর্ম সূচির আওতায় ৫জন সদস্য নিয়ে ১িট গ্রুপ এবং৮-১০টি গ্রুপ নিয়ে ১টি কেন্দ্র গঠন করা হয়। প্রতি সদস্য ১ম দফায় ৮০০০/ টাকা করে ঋন পায় ৩ সপ্তাহ গ্রেসপিরিয়ড বাদে ৫০ সপ্তাহে এ ঋণ পরিশোধ করতে হয়। পরিশোধের পর ধারাবাহিক ভাবে ৫ম দফা পর্যন্ত ঋন দেয়া হয়।প্রতি দফায় ঋণের পরিমান২০০০/ টাকা করতে বৃদ্ধি পায়  অর্থাৎ ৫ম দফায় একজন ঋন গ্রহিতা ১৬০০০/ টাকা ঋন পায়। যদি ১টি পরিবারের ৫জন সদস্য থাকে তবে সে পরিবার ৫ম দফায়৮০০০০/ টাকা ঋন পায়।সার্ভিস চার্জ৫% ।
৫ম দফা পরিশোধের পর ১টি গ্রুপের ১জন সদস্যকে এন্টারপ্রাইজ ঋণ প্রদান করা হয়। যার পরিমান ৩০০০০/ টাকা-৫০০০০/ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

যোগাযোগের ঠিকানা :উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়,সংশ্লিষ্ট উপজেলা।

যুব সংগঠন তালিকা ভূক্তিকরণঃ

বেসরকারী স্বেচ্ছা সেবী যুব সংগঠন সমূহকে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সম্পৃক্ত করণের দ্বায়িত্ব যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পালন করে থাকে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উন্নয়ন সহযোগী  হিসেবে যুব সংগঠন তালিকা ভূক্তি করে।

যোগাযোগের ঠিকানা- উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জেলা পরিষদ ভবন, ময়মনসিংহ।
 

যুব সংগঠনকে অনুদান প্রদানঃ

যুব সংগঠন সমূহকে দেশ গঠন মূলক কর্ম সূচি বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহায়তা  প্রদানের নিমিত্ত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক যুব কল্যাণ তহাবিল হতে প্রতি বছর অনুদান প্রদান করা হয়। তাছাড়া কর্মসূচি সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংগঠন সমূহকে অনুন্নয়ন খাত থেকে ও অনুদান দেয়া হয়

যোগাযোগের ঠিকানা- উপ-পরিচালকের কার্যালয়
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জেলা পরিষদ ভবন, ময়মনসিংহ।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়।সংশ্লিষ্ট উপজেলা।

সার্ক ইয়ূথ এওয়ার্ড–দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে যুবদের সৃজনশীল ও অনুকরণীয় যুব কার্যক্রমের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৯৭ সাল থেকে” সার্ক ইয়ূথ এওয়ার্ড”  স্কীম চালু করা হয়। বাংলাদেশে এ এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

যোগাযোগের ঠিকানা- পরিচালক( বাস্তবায়ন) প্রধানকার্যালয়,  ঢাকা।
উপ-পরিচালক,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জেলা পরিষদ ভবন, ময়মনসিংহ।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়,সংশ্লিষ্ট উপজেলা|।

কমন ওয়েলথ ইয়ূথ এওয়ার্ড প্রাদান-

যুব উন্নয়ন কর্মকান্ডে অবদান। সংগঠনের মাধ্যমে সমাজ উন্নয়ন কর্মকান্ড, আদিবাসী যুবদের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড, যুব সংগঠনের মাধ্যমে প্রকল্প ভিত্তিক কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ও স্বনির্ভর কার্যক্রমের জন্য বাংলাদেশী যুব/ যুব সংগঠনকে কমন ওয়েলথ  ইয়ূথ এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

যোগাযোগের ঠিকানা- পরিচালকে( বাস্তবায়ন) প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।
উপ-পরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জেলা পরিষদ ভবন, ময়মনসিংহ।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, সংশ্লিষ্ট উপজেলা|।

জাতীয় যুব পুরস্কার-

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে প্রশিক্ষণ গ্রহন পূর্বক  আত্বকর্মসংস্থানে সফলতা অর্জন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে  এবং যাদের সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভুমিকা আছে  সে  সকল যুব/যুব মহিলা প্রকল্প গ্রহন  কারীকে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাছাড়া যুব সংগঠক যারা যুব উন্নয়ন কর্ম কান্ডে অনন্য অবদান রাখে তাদের মধ্য থেকে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান করা হয়।

যোগাযোগের ঠিকানা-

উপ-পরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জেলা পরিষদ ভবন, ময়মনসিংহ।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, সংশ্লিষ্ট উপজেলা।

তথ্য প্রদান-

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত সকল প্রকার সেবা কর্মকান্ডের তথ্য  প্রদান করা হয়ে থাকে।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ উপ-পরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জেলা পরিষদ ভবন, ময়মনসিংহ।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা কার্যালয়।

বিভিন্ন অনিয়ম বিষয়ে অভিযোগঃ

সুনির্দিষ্ট অিভযোগ দাখিল করা যাবে।
মহাপরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ১০৮মতিঝিলবা/এ ঢাকা।


Share with :

Facebook Twitter